৬:৪৫ অপরাহ্ণ
সিলেট-৫ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার আশা অধ্যাপক নুরুজ্জামানের
নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক জিএস ও প্রবাসী বিএনপি নেতা মো. নুরুজ্জামান জামান আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে প্রার্থী হতে চান। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এই কথা জানান।
এই সময় দলের মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারেও আশা ব্যক্ত করেন জামান। নুরুজ্জামান সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার বীরশ্রী ইউনিয়নে বারজনী গ্রামে বাসিন্দা। দীর্ঘ ৩৮ বছর থেকে তিনি বিএনপি’র রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়। ছাত্রদল থেকে রাজনীতির যাত্রা শুরু করে বিএনপির রাজনীতিতে এসেছেন। ১৯৯১ সালে আমি সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু’র) জিএস ছিলেন। তখন শাবি ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি ছিলেন। এর আগে বিয়ানীবাজার কলেজ ছাত্রদলের সহসভাপতি ও পরে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের হয়ে রাজপথে আন্দোলন করেন। ২০২৪ এর ফ্যাসিবাদবিরোধী গণআন্দোলনের সময় গণতন্ত্র ও ছাত্রদের পক্ষে গণমাধ্যমে ছিলেন উচ্চকণ্ঠ। লিখিত বক্তব্যে জামান বলেন, সততা, মেধা ও নিষ্ঠা দিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী জাতীয়তাবাদী পরিবারের একজন কর্মী হিসেবে আমি আমৃত্যু দল, দেশ এবং আমার জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের মাটি-মানুষের জন্য কাজ করে যেতে চাই। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেলে অবহেলিত এই আসনটির উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার, সংস্কৃতি ও খেলাধুলায় একটি মডেল আসনে পরিণত করাই আমার স্বপ্ন।
আমার নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে বেকারত্ব কমানো, কৃষক-শ্রমিক-মধ্যবিত্ত শ্রেণির স্বার্থ রক্ষায় নীতিমালা গ্রহণ, জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলাকে মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত ডিজিটাল উপজেলায় রূপান্তর করতে চাই। প্রবাসী বিএনপি নেতা জামান বলেন, বাংলাদেশ এবং ইংল্যান্ড দুই দেশেই কলেজ শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা আমার রয়েছে। নির্বাচিত হলে সরকার ঘোষিত সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নে ছাত্রছাত্রী এবং যুব সমাজের নৈতিক চরিত্র গঠনে আমার থাকবে কঠোর মনিটরিং।
জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের প্রতিটি স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসা শিক্ষক স্বল্পতার বিষয়টি আমি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নিয়ে পূরণের জোরালো পদক্ষেপ নিবো। শান্তিপূর্ণ বাসযোগ্য জকিগঞ্জ-কানাইঘাট এলাকা গড়ে তোলার জন্য তিনি নিজেকে আত্মনিয়োগ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. নজমুল হোসেন পুতুল, মহানগর ইমাম সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি মাওলানা শহীদ আহমদ, বিয়ানীবাজার থানা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক শাহজাহান কাওছার, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসাধারণ সম্পাদক রাজেল খান প্রমুখ।