বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০ ২৬
শাবিপ্রবি প্রতিনিধি::
২৫ জানুয়ারী ২০ ২৩
৬:৫৪ অপরাহ্ণ

পায়ের উপর পা তুলে বসা নিয়ে দুই ছাত্রলীগ গ্রুপের মধ্যে মারামারি

চায়ের দোকানে পায়ের উপর পা তুলে বসাকে কেন্দ্র করে জুনিয়র এক ছাত্রলীগ কর্মীকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের তিন ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে।

বুধবার (২৫ই জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের মুল ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তরা হলেন, ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী রিশাদ ঠাকুর, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার আহমদ রানা এবং বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ইউসুফ আহমেদ টিটু।

জানা যায়, এদের মধ্যে রিশাদ ঠাকুর ও ইফতেখার আহমদ রানা উভয়েই ২০১৯ বাংলা বিভাগের ছাত্রলীগ নেতা রাজীব সরকারকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় এক সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। তারা উভয়েই ছাত্রলীগের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের যুগ্ম সম্পাদক সুমন মিয়ার অনুসারী।

প্রতক্ষ্যদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় চায়ের দোকানে পায়ের উপর পা তুলে বসাকে কেন্দ্র করে শাখা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমান গ্রুপের ছাত্রলীগ কর্মী ও জিওগ্রাফি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুর রব নাঈমের সাথে রিশাদ ঠাকুরের কথা কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে দুইজনের মধ্যে হাতাহাতি ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার রেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল পর্যন্ত গড়ায়। পরে বেলা সাড়ে ১১টায় হলের সামনে মো. রিশাদ ঠাকুর, ইফতেখার আহমদ রানা ও বাংলা ইউসুফ আহমেদ টিটুর নেতৃত্বে সুমন মিয়ার অনুসারী গ্রুপের অন্যরা আব্দুর রব নাঈমের মাথায় স্টাম্প দিয়ে আঘাত করলে তার মাথা ফেঁটে যায়। পরে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

আহত শিক্ষার্থী আব্দুর রব নাঈমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ‘স্ট্যাবল হয়ে’ এ বিষয়ে কথা বলবেন বলে জানান। রিশাদ ঠাকুর গণমাধ্যমকে বলেন, সকালে একটা ছোট বিষয় নিয়ে এক জুনিয়রের সাথে ভুল বুঝাবুঝি হয়, তখন সে সিনিয়রের সাথে বেয়াদবি করে। পরে বিষয়টি আমার গ্রুপের জুুনিয়ররা জানার পর সমাধানের জন্য বসলে তখন সে আবারও বেয়াদবি করে। তখন একটু হাতাহাতি হয়। পরে বিষয়টি দুই গ্রুপের সিনিয়র ও প্রভোস্টরা বসে সমাধান করে দেয়। ইফতেখার আহমেদ রানা তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে গণমাধ্যমকে বলেন, আমি মারধর করি নি। জুনিয়রদের সরিয়ে দিয়েছি। এসময় কারো গায়ে ধাক্কা লাগতে পারে।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ