শুক্রবার, আগস্ট ১৯, ২০ ২২
তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি::
৪ আগস্ট ২০ ২২
৮:৫৬ অপরাহ্ণ

তিতসে মেহনাজ মীম হোসেন আদর্শ কলেজে নাই পাঠাগার

কুমিল্লার তিতাসের মেহনাজ মীম হোসেন আদর্শ কলেজে নাই কোন পাঠাগার। বইয়ের সঙ্গে পাঠকের আত্মিক সম্পর্ক তৈরি করতে গড়ে তোলা হয়েছিল কুমিল্লা তিতাসের বিভিন্ন স্কুল এন্ড কলেজ গুলোতে লাইব্রেরি। তবে এই গ্রন্থাগারে এখন আর তেমন পাঠক দেখা যায় না।

সরজমিন দেখা গেছে, (২০০৮ সালের ৮আগষ্ট) প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সরকারি করণ করা হলেও উপজেলা মেহনাজ হোসেন মীম আদর্শ সরকারি কলেজে অধ্যাপক মিলনায়তনের এক পাশে কয়েকটি শোকেসে অগোছালো অর্ধেকের বেশির ভাগই একাডেমি ও যৎসামান্য অন্যান্য পুস্তক দেখা গেলেও নাই লাইব্রেরী, নাই কোন লাইব্রেরিয়ান, নাই নিদিষ্ট কোন ভবন বা কক্ষ। নেই বই রাখার কোন আলাদা সেল্ফ। এ সময় দেখা যায়নি কোন পাঠকও। তবে কলেজ কতৃপক্ষ জানান, সরকারি নিয়োগপ্রাপ্ত একজন লাইব্রেরিয়ানের অভাবে, লাইব্রেরি পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তাই পাঠক সেবা নেই, নেই কোন পাঠক, বই সংরক্ষণ সামলাতে হিমশিম খেতে হয় আমাদের । নিদিষ্ট কোন ভবন বা কক্ষ না থাকায় ভবনের নিচ তলায় অধ্যাপক মিলনায়তনে ষ্টীলের শোকেসে পুস্তক মজুদ রাখা হয়েছে। বইগুলো সংরক্ষণের জন্য একজন দক্ষ লাইব্রেরিয়ান থাকা দরকার। কি উপয়ে একটি রিচ লাইব্রেরি তৈরি করা যায় এ নিয়ে আমরা অচিরেই বসব।

অপরদিকে , গাজিপুর খান মডেল সরকারি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আঃ বাতেন বলেন, কোভিডের কারণে গ্রন্থাগারে আসা পাঠক ছাত্র- ছাত্রীদের সংখ্যা কমে গেলেও বর্তমানে তাদের উপস্থিত অনেকটাই লক্ষনীয়। লাইব্রেরিয়ান কামরুজ্জামান খন্দকার বলেন, গাজীপুর খান মডেল সরকারি হাইস্কুল এর গ্রন্থাগারের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৮ সালে এই লাইব্রেরীটি হলেও , বর্তমানে এটি সরকারি লাইব্রেরিতে রূপ নেয়। সর্বশেষ ২০০৪ সালে দ্বিতল নিজস্ব ভবনে এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

মাছিমপুর আর আর ইনষ্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মাহফুজার রহমান চৌধুরী বলেন, প্রায় ২৮ বছরের তিল তিল করে গড়ে উঠা আমাদের লাইব্রেরীতে বর্তমানে ২ হাজারের অধিক বই রয়েছে। এটিকে ৫হাজারে উন্নিত করে একটি সমৃদ্ধ পাঠাগার হিসেবে গড়ে তোলার চিন্তা আমাদের আছে। তবে আমাদের কোথাও থেকে কোন সহায়তা নেই।

আমাদের পাঠাগারে নিয়মিত ছাত্র- ছাত্রীরা বই পাঠ করে আবার তারা নিদিষ্ট সময়ের জন্য বাড়িতে বই নিয়ে যায়, পড়া শেষ করে তা আবার ফিরিয়ে দিয়ে যায়। বর্তমানে লাইব্রেরি'টি পুরনো দ্বিতল ভবনে রয়েছে, এটিকে নতুন ভবনে সাজিয়ে গুছিয়ে গড়ে তোলার জন্য প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকার এসএস এর তৈরি সেল্ফ বানিয়েছি। নারান্দিয়া কলিমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে লাইব্রেরিয়ান হোসেন আলীকে দেখা গেছে পাঠকদের নিয়ে বই পড়ায় ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছেন। অন্যান্য স্কুল কলেজে পাঠকদের নাম রেজিষ্ট্রেশন করা না হলেও তিনি ঠিকই রেজিষ্ট্রেশন করছেন।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ