বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০ ২৬
ডেস্ক নিউজ::
৬ আগস্ট ২০ ২৩
১০ :২৪ অপরাহ্ণ

পীরের গাঁও হারিছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিন বছর ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শুন্য

সিলেটের সদর উপজেলার মুগলগাঁও ইউনিয়নের পীরের গাঁও হারিছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘ প্রায় তিন বছর ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শুন্য রয়েছে। যার ফলে তিসজন শিক্ষককে কষ্ট করে শিক্ষার্কাযক্রম চালাতে হচ্ছে।

পীরের গাঁও হারিছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুধু প্রধান শিক্ষকের পদ নয় কর্মকালীন সময়ে একজন সহকারি শিক্ষক মারা যান এবং একজন সহকারি শিক্ষক অবসরকালীন ছুটিতে চলে যান। আর প্রধান শিক্ষক হোসনে আরা বেগম ২০২০ সালের ২০ নভেম্বর পার্শ্ববতী ফতেহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলী হয়ে যান।

বতর্মানে একজন সৃষ্ট প্রাক প্রাথমিকের সহকারি শিক্ষক এ বছর ২৪ জানুয়ারি যোগদান করায় তিনজন শিক্ষক দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে সহকারি শিক্ষক রোকশানা বেগম সিলেট পিটিআইতে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ডিপিএড প্রশিক্ষনে চলে যাওয়ায় একজন সহকারি শিক্ষক বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। অবস্থা বেগতিক দেখে কতৃপক্ষ অন্যবিদ্যালয় থেকে ডেপুটেশনে দুজন শিক্ষককে এ বিদ্যালয়ে পাটান।

পরে ডিপিএড প্রশিক্ষন শেষে রোকশানা বেগম বিদ্যালযে যোগদান করলে কতৃপক্ষ ডেপুটেশনের দুজন শিক্ষককে নিজ নিজ বিদ্যালয়ে প্রেরন করেন। এরপর থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন সহকারি শিক্ষক রোকশানা বেগম। এদিকে, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও অভিভাবকদের পক্ষ থেকে ১৯ জুন ২০২৩ সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে শূন্য পদ পুরনের জন্য অবেদন করলে সংশ্লিষ্টরা ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।

তারা সংশ্লিষ্ট জাযগায় দরখাস্থ পৌছিয়ে দিবেন বলে জানান। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রোকশানা বেগম জানান,পীরের গাঁও হারিছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘ প্রায় তিন বছর ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শুন্য রয়েছে। আমরা আশা করি, শিঘ্রই বিদ্যলয়ের প্রধান শিক্ষকের পদসহ শুন্য পদগুলো পুরন হবে। সিলেটের সদর উপজেলার মুগলগাঁও ইউনিয়নের পীরের গাঁওয়ে প্রায় ৬০ ডেসিমিল ভূমির উপর পীরের গাঁও হারিছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৯৭৭ সালে স্থাপিত হয়।এবিদ্যালয়ে প্রাকপ্রাথমিক শ্রেণী ধেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করেন।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ