বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০ ২৬
তিতাস(কুমিল্লা) প্রতিনিধি::
৪ মে ২০ ২৩
৯:৪৮ অপরাহ্ণ

তিতাসে কালভার্টের দুই পাশে নেই সংযোগ সড়ক

কুমিল্লার তিতাসে ১১ বছর আগে কালভার্ট নির্মিত হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় এলাকাবাসীর কোন কাজে আসছে না।এ নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ।গত বছর কালভার্টের বেহাল দশার কথা বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে উপজেলা সাবেক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ ও প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক পরিদর্শনে গিয়ে স্থানীয় জনসাধারণকে কথা দিয়েছিলেন দ্রুত সংযোগ সড়কের ব্যাপারে উর্ধতন কর্মকর্তাকে জানিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিবে। কিন্তু তারা তাদের কথা রাখেনি।কালভার্টের ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল দূরের কথা ৬/৭ টি গ্রামের জনসাধারণের চলাচলেও ভোগান্তির শেষ নেই।

জানা গেছে, ২০১২ সালে ১১ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে তিতাস উপজেলা জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের পূর্ব গোপালপুর হতে রসুলপুর গ্রামের মানুষের চলাচলের সরু রাস্তার মাঝখানে নির্জন চকে নামমাত্র খালের উপর কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়।

কালভার্টের দুই পাশে ৮/১০ ফুট উঁচু থাকলেও দুই পাশে সংযোগে সড়ক নেই। স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছি। রাস্তার অভাবে ইউনিয়ন বা উপজেলা সদরে কোনো জরুরি কাজ থাকলে দ্রুত সেখানে যেতে পারি না ।

পার্শ্ববর্তী দাউদকান্দি উপজেলা গলিয়ারচর দিয়ে নদী পার হয়ে যেতে ডাবল খরচ ও সময় গচ্ছা দিতে হয়। এমনকি ফসল পর্যন্ত পরিবহন করতে পারছি না । নামমাত্র কালভার্ট দিয়ে রাখা হলেও আমাদের কোনো উপকারে আসছে না।

এ রাস্তায় বর্ষাকালে গলা পানি হয়ে যায়। তাছাড়া ধান কাটার পর পরই এ রাস্তা পানিতে তলিয়ে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়। বৃষ্টি হলে তা পিচ্ছিল ও কাদায় ভরে যায়। কালভার্ট সংলগ্ন নতুন বাড়ির মালিক জয়নাল আবেদিন (৬৫) বলেন, কালভার্ট নির্মাণের পর পর জমি ভরাট করেছি বাড়ি করব বলে।

কিন্তু ১১বছর হয়ে গেল রাস্তা হয়না স্বপ্নের বাড়িও বানানো হলনা। এই কালভার্ট আমাদের কোন উপকারে আসেনি।আমরা খালের উপর দুইটা বাঁশ পেতে অনায়াসেই বোঝা নিয়ে যেতে উঠতে পারতাম। কিন্তু এই কালভার্টটি উঁচু হওয়ায় বোঝা নিয়ে অনেক কষ্ট হয়। রাস্তা থাকলে হয়তোবা এমনটি স্থানীয় আর হতোনা।

এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, লাখ লাখ টাকা খরচ করে এখানে সেতু করেছে কিন্তু সেতুর দুপাশে রাস্তা না থাকায় তা আমাদের কোনো উপকারে আসছে না । ব্যাপারে জিয়ারকাদি ইউপি চেয়ারম্যান আলী আশ্রাফ বলেন, রাস্তার জন্য আমরা মাপজোপ করে কতৃপক্ষকে বিস্তারিত দিয়েছিলাম, কিন্তু তারা এ যাবৎ কোন ব্যবস্থা নেয়নি।

তাছাড়া পরবর্তীতে কি হল না হল তার কিছুই জানতে পারিনি।এ ব্যাপারে তিতাস উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জমিরুল ইসলামকে তার অফিসে না পেয়ে, একাধিক বার ফোন করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ থাকায় তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ