৬:৩৫ অপরাহ্ণ
তিতাসে হাত-পা বেঁধে এক রাতে পাঁচ ঘরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি
কুমিল্লার তিতাসে এক রাতে পাঁচ বাড়িতে হাত-পা বেঁধে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার (২১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের ভাটিপাড়া গ্রামের প্রধান বাড়ির শেখ ফরিদ ও জাহাঙ্গীরের বাড়িতে রায়পুর সরকার বাড়ির কামাল সরকারের বাড়িতে ও সাতানী ইউনিয়নের ২য় সাতানী গ্রামের কলাবাগানে বাচ্চু মিয়া ও রিনার বাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাতদল মালামাল লুটে নেয়ার অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।
জগতপুর ইউনিয়নের ভাটিপাড়া গ্রামের শেখ ফরিদের স্ত্রী আলেহা বলেন, রাত আড়াইটার দিকে দরজা ভেঙে ৫/৬জন রামদা নিয়ে ঘরে প্রবেশ করে আমাদের হাত-মুখ ও পা বেঁধে ঘরে থাকা দুই ভরি সোনা, সাত ভরি রুপা ও নগদ ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়। ভাটিপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রাত আড়াইটায় কাউয়াল দিয়ে দরজা ভেঙে মুখোশ পরিহিত ৭/৮জন ঘরে প্রবেশ করে আমাকে উলঙ্গ করে আমার পরনের লুঙ্গি দিয়ে আমার হাত-পা বেঁধে ফেলে।
আমাদের ঘরে থাকা বাছুর কেনার ৪২ হাজার টাকা, আমার স্ত্রীর কানের দুল ও মোবাইল নিয়ে যায়। এসময় আমার হাত ও মাথায় আঘাত করে, আমার স্ত্রীকেও মারধর করে। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাসায় অবস্থান করছি। কামাল সরকার বলেন, রাত দেড়টার দিকে ৮/১০জন ডাকাতদল দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে ৩টি মোবাইল, দু'টি সোনারচেন, কানেরদুল ও লাইট নিয়ে যায়।
পরে মসজিদে মাইকিং করলে ডাকাতদল পালিয়ে যায়। ২য় সাতানী গ্রামের বাচ্চু মিয়ার পুত্রবধূ বলেন, আমাদের ঘরের সকলের হাত-পা বেঁধে ফেলে। আমরা ভয় পেয়ে আলমারির চাবি দিয়ে দেই। পরে ঘরে থাকা নগদ ৭৫ হাজার টাকা, তিন ভরি স্বর্ণ ও একটি আইফোনসহ তিনটি মোবাইল নিয়ে যায় এবং যাওয়ার সময় হুমকি দিয়ে যায়।
২য় সাতানী গ্রামের রিনা বলেন, ১০/১২জন মুখোশ পড়ে বিল্ডিংয়ের গেটের তালা ভেঙে চার জোড় সোনার দুল, একটি সোনার আংটি, ২০ ভরি রুপা নিয়ে যায় এবং কাউকে যদি জানাই একবারে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে চলে যায় ডাকাত দলের সদস্যরা। তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুধীন চন্দ্র দাস বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।