শুক্রবার, জুন ২৬, ২০ ২৬
বিজ্ঞপ্তি
২৮ আগস্ট ২০ ২২
৮:১৫ অপরাহ্ণ

অধ্যাপক মামুন আল মাহতাব বাংলাদেশ একাডেমি অফ সাইন্সেস'র ফেলো নির্বাচিত

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা বিভাগীয় প্রধান ও হেপাটোলজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল সম্প্রতি বাংলাদেশ একাডেমি অফ সাইন্সেস এর ফেলো নির্বাচিত হয়েছেন।

আজ (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ একাডেমি অফ সাইন্সেস এর বার্ষিক সাধারণ সভায় একাডেমির সভাপতি এমিরেটস অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে শপথবাক্য পাঠ করিয়ে অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাবকে বাংলাদেশ একাডেমি অফ সাইসেন্স এর ফেলো হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন।

উল্লেখ্য, এ বছর বাংলাদেশ একাডেমি অফ সাইসেন্স এর ফেলোদের সিংহভাগের ভোটে একমাত্র অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব-ই এ বছর ফেলো নির্বাচিত হয়েছেন। অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাবকে বাংলাদেশ একাডেমি অফ সাইন্সেস এর ফেলো হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে গিয়ে এমিরেটস অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী আশা প্রকাশ করেন যে তিনি বাংলাদেশের বিজ্ঞান একাডেমি এবং বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করবেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশের চিকিৎসা বিজ্ঞান তার দ্বারা সমৃদ্ধ হবে।

উল্লেখ্য বাংলাদেশ একাডেমি অফ সায়েন্সেস বাংলাদেশী বিজ্ঞানী এবং প্রযুক্তিবিদদের জন্য একটি একাডেমিক ফোরাম। ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত, এটি বাংলাদেশে বিজ্ঞানের গবেষণা ও উন্নয়নের ভূমিকা পালনের লক্ষ্য রাখে। ভারতীয় উপমহাদেশের বিভাগের পর, পাকিস্তান একাডেমি অফ সায়েন্সেস ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, একাডেমির ১২ জন বাংলাদেশী ফেলো (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানি) ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ একাডেমি অফ সায়েন্সেস গঠন করেন। মুহাম্মদ কুদরত-ই-খুদা ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির ভূমিকা পালন করেন। ২০১৪ সাল থেকে, BAS ডিজিটাল লাইব্রেরি Bangladesh Journals Online (BanglaJOL) পরিচালনা করছে। অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল সম্প্রতি মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি অফ মালায়া থেকে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেছেন।

হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের নতুন ওষুধ ন্যাসভ্যাক এবং হেপাটাইটিস বি ভাইরাসজনিত লিভার রোগ বিষয়ে মৌলিক গবেষণার জন্য তাকে পিএইচডি ডিগ্রী প্রদান করা হয়। হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের থেরাপিউটিক ভ্যাকসিন ন্যাসভ্যাকের ফেইজ ১, ২ ও ৩ ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রধান গবেষক হিসাবে কাজ করেছেন তিনি। তার গবেষণালব্ধ ফলাফলের ভিত্তিতে ওষুধটি এরই মধ্যে কিউবাসহ একাধিক দেশে রেজিষ্ট্রেশন পেয়েছে এবং বাংলাদেশেও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ওষুধটির রেসিপি অনুমোদন করেছে।

তিনি বাংলাদেশে উদ্ভাবিত কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট বঙ্গভ্যাক্সের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালেরও প্রধান গবেষক। উল্লেখ্য, অধ্যাপক স্বপ্নীল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে ১৯৯৫ সালে এম.বি.বি.এস ১৯৯৮ সালে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিতে এম.এস.সি. এবং ২০০৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হেপাটোলজিতে এম.ডি. ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি ইন্ডিয়ান কলেজ অব ফিজিসিয়ানস, রয়েল কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অব আয়ারল্যান্ড এবং রয়েল কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অব লন্ডনের ফেলো।

পাশাপাশি তিনি জাপানের এহিমে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও মেটাবোলজি বিভাগের ভিজিটিং অধ্যাপক এবং ভারতের অল ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল সাইন্সেস, ঋষিকেশের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের বোর্ড অব স্টাডিজের সদস্য। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিন-পূর্ব এশীয় অঞ্চলের ভাইরাল হেপাটাইটিস, এইচআইভি-এইডস, এসটিআই সংক্রান্ত স্ট্র্যাটেজিক এন্ড টেকনিক্যাল এডভাইজারি গ্রুপেরও অন্যতম সদস্য।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ