শনিবার, জুলাই ২৫, ২০ ২৬
বিজ্ঞপ্তি::
২৪ জুলাই ২০ ২৬
৯:৫৩ অপরাহ্ণ

ফ্রান্সের বুকে কোরআনের আলো ছড়াচ্ছেন হাফিজ জিল্লুর রহমান

ইসলামের খেদমতে যুগে যুগে অগণিত আলেম ও মাওলানা অসামান্য অবদান রেখেছেন।

তাঁদের বহুমুখী কাজের মধ্যে কুরআন-হাদিসের প্রচার-প্রসার, যুগোপযোগী তাফসির রচনা, সমাজ সংস্কার, এবং দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা যুগ যুগ ধরে ইসলাম প্রিয় মানুষের মধ্যে প্রেরনার উৎস হিসাবে কাজ করবে।

যারা দ্বীন কায়েমে সর্বত্র কাজ করে যান।যারা নীরবে-নিভৃতে কোরআনের খেদমত করে যান বছরের পর বছর। টিক তেমনি এক ইসলাম প্রিয় ব্যক্তিত্ব সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালাবাজার ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামের কৃতিসন্তান হাফিজ জিল্লুর রহমান।

যিনি সুদূর প্রবাসে গিয়ে নিজেকে আরাম আয়েসে বিলিয়ে না দিয়ে ইসলামের আলো বিলিয়ে দিতে নিবৃত্তে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে তিনি ফ্রান্স বাংলা কমিউনিটি অ্যান্ড কালচারাল সেন্টার-এর মুহতামিম এবং অভারভিলা বাংলাদেশি কমিউনিটি মসজিদ ও মাদ্রাসার সাবেক খতিব ও মুহতামিম এর দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি নিজের আরাম-আয়েশ, সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য কিংবা দুনিয়াবি লাভ-লোকসানের হিসাব না কষে, সুদূর ফ্রান্সের মাটিতে তিনি প্রায় ১২ বছর ধরে কোরআনের আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন। প্রবাসে বেড়ে ওঠা অসংখ্য শিশু-কিশোরের হাতে তুলে দিচ্ছেন আল্লাহর কালাম।

শেখাচ্ছেন কোরআন, আদব, আখলাক এবং ইসলামের সুমহান শিক্ষা। একটি শিশুর মুখে উচ্চারিত প্রথম "আলিফ, বা, তা"-এর পেছনে রয়েছে তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম। কোনো এক শিশুর প্রথম সূরা মুখস্থ করার আনন্দের পেছনে রয়েছে তাঁর নির্ঘুম সময়, দোয়া আর ত্যাগ। তার এ ত্যাগ ও আদর্শ বাস্তবায়নের ফলে সেখানে দিন দিন সেখানে কোরআনিক শিক্ষা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ অসামান্য অবদান সেখানকার সমগ্র মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। একান্ত আলাপকালে হাফিজ জিল্লুর রহমান বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ, যিনি ইসলামের বাণী প্রচার করেছেন এবং মানবতার মুক্তি ও শান্তির ধর্ম হিসেবে ইসলামকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর সুমহান শিক্ষা ও জীবনাদর্শ পুরো পৃথিবীকে বদলে দিয়েছে। তিনি বলেন, রাসূলু সাঃ বলেছেন:"তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যে কোরআন শিক্ষা করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।" (সহিহ বুখারি) যেদিন এই শিশুদের কেউ হাফিজ হবে, কেউ ইমাম হবে, কেউ আল্লাহর দ্বীনের দাঈ হবে—তাদের প্রতিটি তিলাওয়াত, প্রতিটি সিজদা, প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব ইনশাআল্লাহ সেই শিক্ষক ও মুরব্বির আমলনামায়ও লেখা হবে,যিনি তাদের হাতে প্রথম কোরআন তুলে দিয়েছিলেন।তাই আমি অন্তত আমার অবস্থান থেকে প্রতিটি শিশুকে কোরআনের আলো পৌঁছে দিতে চাই। আমি আমার আগামীর পথ চলায় সকলের সহযোগিতা কামনা করি।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ